কারাগারে খালেদা জিয়ার এক বছর

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে বৃহস্পতিবার এক বছর পার করলেন।

এছাড়া বেগম জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিএনপিসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করে আসছে। তবে গত এক বছরে আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে পারেনি দলটি।

দলীয় চেয়ারপারসনকে যে এতদিন বন্দি থাকতে হবে, তা তখন ‘কল্পনাই করতে পারেননি’ বলে বৃহস্পতিবারই এক অনুষ্ঠানে মন্তব্য আসে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমেদের কাছ থেকে।

তিনি বলেন, “কোনো দিন কল্পনা করতে পারি নাই যে বাংলাদেশের সবচাইতে জনপ্রিয় নেত্রী এবং তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে একটা তুচ্ছ ভিত্তিহীন মামলায় সাজা দেবে। পাঁচ বছরের সাজায় আপিল ফাইল করার পর সাত দিনের বেশি উনার জেলখানায় থাকার কথা নয়।”

৩৬ বছরের রাজনৈতিক জীবনে খালেদা জিয়ার বন্দি থাকা নতুন নয়। ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা জারির পর সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে গ্রেপ্তার হয়ে এক বছর সাত দিন বন্দি ছিলেন তিনি। তখন তাকে রাখা হয়েছিল সংসদ ভবনের একটি বাড়িতে।

তবে সেবারের বন্দিদশার সঙ্গে এবারের পার্থক্য হচ্ছে এখন তিনি বন্দি আছেন দুর্নীতির দায়ে দোষি সাব্যস্ত হয়ে। তখন যে মামলাগুলোর হয়েছিল, তার একটি জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলা।

এতিমদের জন্য আসা দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালে করা এই মামলায় ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে দোষি সাব্যস্ত করে ৫ বছরের সাজা দিয়ে রায় দেন ঢাকার জজ মো. আখতারুজ্জামান।