বেনাপোল বন্দরে শ্রমিকদের কর্মবিরতি, পণ্য খালাস বন্ধ

বেনাপোল স্থলবন্দরে  ইকুপমেন্ট হ্যান্ডলিং শ্রমিকরা ৫ মাসের বকেয়া বেতনের দাবীতে গত ২দিন ধরে কর্মবিরতি পালন করছে।

এর ফলে বেনাপোল পেট্টাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারী পন্য লোড আনলোড বন্ধ রয়েছে। বন্দর সড়কে গোডাউনে আটকা পড়েছে কোটি কোটি টাকার পন্য। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যাবসায়িরা।

এদিকে গত ২দিনের কর্মবিরতির কারনে বন্দর এলাকায় পন্যবাহি ট্রাক ও পন্যজট দেখা দিয়েছে।

শ্রমিক নেতারা ও বন্দর সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানায়,বেনাপোল স্থল বন্দরে ইন্ড্রাষ্টিয়াল ভারী পন্য লোড আনলোডিংয়ের ইকুপমেন্ট সরবরাহের এজারা পায় সিস লজিষ্ট্রিক নামে একটি প্রতিষ্টান। পন্য লোড আনলোড করে আসছিল হ্যান্ডলিং শ্রমিকরা সহ ক্রেন ফরক্লিপ ড্রাইভারা।

টেন্ডার কর্তৃপক্ষের মো: শাহিন আলম তাদের ৫মাসের বেতন না দেওয়ায় গত সপ্তাহে একদিন কর্মবিরতি পালন করে তারা। বন্দর কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে ১০দিনের সময় নেওয়া হয়। ইজারাদার তাদের কথা না রাখায় রবিবার থেকে বকেয়া বেতনের দাবীতে আবারো কর্মবিরতি পালন করছেন হ্যান্ডরিং শ্রমিকরাসহ ক্রেন ফরক্লিপ ড্রাইভারা।

নানান সমস্যার কথা বলেন তারা শ্রমিকেরা জানান বেতন না পেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে খেয়ে না খেয়ে কাটছে সময়। বেতন পাবার দাবী জানান তারা।

ইজারাদার সিস লজিষ্ট্রিক প্রতিষ্টানের প্রতিনিধি সুলতান আহম্মেদ বাবু- জানান বিষটি নিরসনে চেষ্টা করা হচ্ছে অচিরেই সমস্যা কেটে যাবে বলে জানান তিনি।

স্থলবন্দর বেনাপোলের পরিচালক প্রদোষ কান্তি দাস বলেন, ভিন্ন কথা-ইকুপমেন্ট এজারাদার শ্রমিকদের কম বেতন দেওয়ায় হাইকোটে মামলা করে শ্রমিকেরা। ফলে মামলার কারনে বেতন বন্ধ রেখেছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্টান। এদিকে শ্রমিকরা তাদের কথা রাখেননি বলে জানান তিনি।

মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কাজ করার অঙ্গিকার করেন শ্রমিকেরা।কথা রাখেনি তারা। তবে ঘটনাটি নিয়ে বৈঠক করা হচ্ছে বলে জানান প্রদোষ কান্তি দাস।