বেনাপোল বন্দরে নো-এন্ট্রির চোরাচালানকৃত জিলেট শেভিং ফোমের চালান আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বেনাপোলে মিথ্যা ঘোষনায় আনীত একটি ভারতীয় ট্রাক থেকে নো-এন্ট্রির চোরাচালানকৃত ৬৫১ কার্টুন জিলেট শেভিং ফোম এর বোতল আটক করেছে বেনাপোল কাস্টমস হাউস।

বুধবার সকালে বেনাপোল স্থল বন্দরের ১নং শেডের সামনে থেকে ভারতীয় ট্রাকটি আটক করা হয়।

কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে বেনাপোল স্থল বন্দরের ১ নং শেডের সামনে একটি ভারতীয় ট্রাকে(NL 01 Ac-6654) নো-এন্ট্রির চোরাচালনের মাধ্যমে আনীত পণ্য রয়েছে। বেনাপোল কাস্টমস এর আইআরএম টীম পণ্যসহ ভারতীয় ট্রাকটি আটক করে কাস্টম হাউসে নিয়ে আসে।

বুধবার বিকালে ট্রাকের তালা ভেঙ্গে ভিতরে চোরাচালানের মাধ্যমে মিথ্যা ঘোষনায় আনীত ৬৫১ কার্টুন মোট ৭৮১২ টি জিলেট সেভিং ফোমের বোতল পাওয়া যায়। যার শুল্কয়ন যোগ্য ওজন ৩২৬৫ কেজি। যার আনুমানিক মূল্যে ১৬ লক্ষ টাকা। আটককৃত পণ্যের প্রতিটি কার্টুনে Shipping To: Procter & Gamble Bangladesh Pvt. Ltd লেখা স্টিকার ছিলো।

উক্ত আমদানিকারকের সিএন্ডএফ এজেন্টে বলেন পণ্যগুলো তাদের নয়। এভাবে একটি অসাধু চক্র অভিনব কৌশালে সরকারের রাজস্ব ফাঁকির অপচেষ্ট করছে। যার জন্য জাতীয় উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।

বন্দর সূত্রে জানায়, ভারতীয় ট্রাকটিতে একটি মেনিফেস্টের মাধ্যমে তিনটি পণ্যচালন আনা হয়। ট্রাকটি থেকে Textile Dies ঘোষণা কৃত তিনটি পণ্য চালন গ্রহণ করেন ৯ নং শেড ইনচার্জ। ট্রাকের অবশিষ্ট পণ্যের বিষয়ে শেড ইনচার্জ অবহিত নন বলে জানান।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরী জানান, “আটককৃত ৩২৬৫ কেজি জিলেট সেভিং ফোম কাস্টমস আইন অনুযায়ী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং ভারতীয় ট্রাকটি বাজেয়াপ্তির প্রক্রিয়া চলছে। চোরাচালান ও মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ১৭ কোটি মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ণ ও জাতীয় উন্নয়নে বাধাগ্রস্থ এই ধরণের অসাধু চক্রের মোকাবেলায় বেনাপোল কাস্টমস সদা জাগ্রত । এই ঘটনায় ৫ সদসের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।”