ডাকসু নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র হলেই, বয়সসীমা ৩০ বছর

এই সিদ্ধান্ত অনুসারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে হলগুলোতে; প্রার্থী ও ভোটার হতে পারবেন ৩০ বছর বয়সের মধ্যে থাকা স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের পাশাপাশি এমফিলের শিক্ষার্থীরাও।

মঙ্গলবার উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সভায় গঠনতন্ত্রে এসব সংশোধনের সিদ্ধান্ত হয়।

গঠনতন্ত্র সংশোধনে ডাকসুর কয়েকটি পদেও পরিবর্তন এসেছে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান জানিয়েছেন।

পদাধিকার বলে ডাকসুর সভাপতি অধ্যাপক আখতারুজ্জামান নির্বাচনের জন্য আগামী ১১ মার্চ ইতোমধ্যে দিন ঠিক করেছেন।

আদালতের নির্দেশে ডাকসু নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়ার পর ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করেছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান। 

গত ২১ জানুয়ারির ওই বৈঠকে সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ ও তাদের মিত্র সংগঠনগুলো আগের মতোই হলগুলোতে ভোটকেন্দ্র স্থাপনের পক্ষে অবস্থান জানিয়েছিল। অন্যদিকে তার বিরোধিতা করে ছাত্রদল ও বাম ছাত্র সংগঠনগুলো একাডেমিক ভবনগুলোতে ভোটকেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানায়।

তবে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এমফিল শিক্ষার্থীদের ভোটার করার ক্ষেত্রে সব ছাত্র সংগঠনগুলোই সহমত প্রকাশ করেছিল।

১৮ সদস্যের সিন্ডিকেটের ১৬ জনের সদস্যের উপস্থিতিতে গঠনতন্ত্র সংশোধন ও পরিমার্জনের প্রস্তাবাবলি অনুমোদিত হয় বলে রেজিস্ট্রার এনামউজ্জামান জানান। 

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “যে সব শিক্ষার্থী স্নাতক, সম্মান শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে অনার্স, মাস্টার্স ও এমফিল পর্যায়ে অধ্যয়নরত এবং যারা বিভিন্ন হলে আবাসিক-অনাবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে সংযুক্ত রয়েছেন এবং নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখে যাদের বয়স কোনোক্রমেই ৩০ বছরের বেশি হবে না, কেবল তারাই ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটার হতে পারবেন।”

তিনি বলেন, ৩০ বছরের ঊর্ধ্বের শিক্ষার্থীরা যে কোর্সেই অধ্যয়ন করুক না কেন, তারা ভোটার হতে পারবেন না।

ভোটার হওয়ার যোগ্যতা যাদের রয়েছে, তারা প্রার্থীও হতে পারবেন বলে জানান রেজিস্ট্রার।