নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা ঐক্যফ্রন্টের, তফসিল পেছানোর দাবি

আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনেই আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি-গণফোরামসহ কয়েকটি দলের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। তবে এক মাস তফসিল পিছিয়ে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে তারা।

রোববার (১১ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচনে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জোটের শীর্ষ নেতারা।

গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট।

জোটের সমন্বয়ক ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ রোববার (১১ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে করে এ ঘোষণা দেন।

গত কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচনে যাবে এই রাজনৈতিক জোট। অবশেষে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলো। যদিও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে সরকারকে সাত দফা দাবি দিয়েছিলো বিএনপি-গণফোরাম-জেএসডি-কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ-নাগরিক ঐক্যের সমন্বয়ে গঠিত নতুন রাজনৈতিক জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

সরকারের সঙ্গে দাবিগুলো নিয়ে দুই দফা সংলাপও করেছিলো। কিন্তু বিরোধী এই জোটের দাবিগুলো ও কিছু প্রস্তাবনা নাকচ করে দেয় সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি সুব্রত রায় চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, জেএসডি সহ-সভাপতি তানিয়া রব ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন প্রমুখ।