প্রচার শেষ, ভোটের অপেক্ষা

আজ (শুক্রবার) সকাল ৮টা থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা বন্ধ হয়েছে।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ২৯৯টি আসনে টানা ভোটগ্রহণ চলবে। এরপর ভোট গণনা শেষে ফল প্রকাশ করা হবে।

পুরো দেশের নজর এখন রোববারের দিকে, দেশের সাড়ে ১০ কোটি ভোটার সেদিন যাদের পক্ষে রায় দেবে, আগামী পাঁচ বছর তাদের হাতেই থাকবে বাংলাদেশের শাসনদণ্ড।

অধিকাংশ নিবন্ধিত দলের বর্জনে ব্যাপক সহিংসতার মধ্যে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার পাঁচ বছর পর এবারের নির্বাচনে সব দলকেই পাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ থাকলেও রোববার উৎসবমুখর পরিবেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রত্যাশার কথা বলেছে সবাই।

প্রতীক বরাদ্দের পর গত ১০ ডিসেম্বর সারা দেশে আনুষ্ঠানিক ভোটের প্রচার শুরু হয়েছিল। সেই সুযোগ শেষ হয়েছে শুক্রবার সকাল ৮টায়। তার আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটেছেন প্রার্থীরা।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত কোনো ধরনের সভা, সমাবেশ, মিছিল বা শোভাযাত্রা করা যাবে না।

ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা নির্বাচনী এলাকায় ট্যাক্সি ক্যাব, বেবিট্যাক্সি/অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো, লঞ্চ, ইজিবাইক, ইঞ্জিনবোট ও স্পিডবোট চলাচলের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকবে শনি থেকে সোম তিন দিন।

ব্যালট পেপারসহ প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সামগ্রী জেলায় জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভোটের আগের দিন শনিবার তা রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে পৌঁছে দেওয়া হবে ভোটকেন্দ্রে।

আদালতের আদেশে বা অন্য কোনো কারণে শেষ মুহূর্তে ব্যালট পেপারে পরিবর্তন আনতে হলে তা নতুন করে ছাপাতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। তারপর তা পৌঁছে দেওয়া হবে হেলিকপ্টারে।

৩০ ডিসেম্বর রোববার দেশের ২৯৯ আসনে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট চলবে। ভোটের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও মাঠে রয়েছেন।