সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু আর নেই

আজ বৃহস্পতিবার সকালে তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকেরা তাঁর মৃত্যুর কথা ঘোষণা করেন।

এলারবি ব্যান্ডের শামিম বলেন, বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বাচ্চু। এরপর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক মির্জা নাজিম বলেন, সকাল সোয়া নয়টার দিকে আইয়ুব বাচ্চুকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুতে তাঁর স্বজন, সহশিল্পী, সহকর্মী ও ভক্তদেরদরে মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড এলআরবির দলনেতা ছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। ষাটের দশকে চট্টগ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তাঁর জন্ম।

ব্যান্ড দল  এলআরবির  লিড গিটারিস্ট ও ভোকাল আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন একাধারে গায়ক, গীতিকার, সুরকার এবং প্লেব্যাক শিল্পী। তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর।

নব্বইয়ের দশক থেকে ব্যান্ড সংগীতের চর্চা শুরু করেন আইয়ুব বাচ্চু। তারপর থেকে এই গায়ক ও সংগীত পরিচালক গান আর গিটারের মূর্ছনায় শ্রোতাদের মাতিয়ে রাখেন। গত ১৬ আগস্ট শেষ জন্মদিন পালন করেন তিনি।

আইয়ুব বাচ্চুর কণ্ঠে ‘সেই তুমি কেন এত অচেনা হলে’, ‘ফেরারী এই মনটা আমার’, ‘আমি কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, ‘একদিন ঘুমভাঙা শহরে’, ‘চল বদলে যাই’, ‘এখন অনেক রাত’, ‘হাসতে দেখ গাইতে দেখ’র মত বহু গান শ্রোতাদের হৃদয়ে বাজবে বহুদিন।