স্টিকার দেখে বোঝা যাবে রেস্টুরেন্টের খাবারের মান

এখন থেকে রেস্টুরেন্টে খাবারের মান কেমন তা রেস্টুরেন্টের বাইরে লাগোনো স্টিকারের রং এবং বিভিন্ন গ্রেড বলে দেবে। যেমন ‘এ’ গ্রেড , ‘বি’গ্রেড , এ প্লাস, আর স্টিকারের রং থাকবে সবুজ , নীল এবং কমলা।

রোববার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর পল্টনে ফারস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে ঢাকার মতিঝিল, দিলকুশা, ফকিরাপুল, গুলিস্তান, পল্টন ও সচিবালয় এলাকার হোটেল রেস্টুরেন্টগুলোর স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ সংরক্ষণ গ্রেডিং কার্যক্রম উদ্বোধন করার সময় খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এসব কথা জানান।

তিনি আরও জানান, খাবারের মান, বিশুদ্ধতা, পরিবেশ, পরিবেশন, মনিটরে রান্নাঘরের পরিবেশ দেখা যাওয়ার ব্যবস্থা ও ওয়েটারদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার ভিত্তিতে রেস্টুরেন্টগুলোতে এ প্লাস, এ, বি ও সি চার ক্যাটাগরিতে চিহ্নিত করা হবে।

জানা গেছে, রেস্তোরাঁয় সবুজ স্টিকার দেখলে বুঝতে হবে এখানকার মান ‘এ+’ (এ প্লাস) অর্থাৎ বেশ ভালো। আর মান একেবারেই খারাপ হলে লাগানো থাকবে কমলা রঙের স্টিকার। এই রঙের স্টিকার দেখলে বুঝতে হবে এটি অনিরাপদ। কোনও হোটেল কর্তৃপক্ষ কমলা রঙের স্টিকার পাওয়া মানে বুঝতে হবে এই হোটেলকে সতর্ক করার জন্য এক মাসের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি ক্যাটাগরির জন্য একটি রং নির্ধারণ করা হয়েছে, সেই বিবেচনায় কোনো রেস্টুরেন্ট ৯০ নম্বরের বেশি স্কোর করতে পারলে তার বাইরে সবুজ রঙের স্টিকার বা এ প্লাস গ্রেড, স্কোর ৮০ এর ওপরে হলে নীল বর্ণের স্টিকার বা ‘এ’; ৫৫ থেকে ৭৯ পর্যন্ত স্কোর হলে হলুদ বর্ণের ‘বি’ এবং ৪৫ থেকে ৫৫ স্কোর হলে কমলা বর্ণের ‘সি’ ক্যাটাগরি পাবে রেস্টুরেন্টগুলো।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ প্লাস’ অর্থ রেস্টুরেন্টটি সব বিভাগে সঠিক মান বজায় রেখেছে, ‘এ’ মানে ভালো, ‘বি’ মানে গড়পড়তা ভালো এবং ‘সি’ মানে গ্রেড পেন্ডিং।

পাইলট প্রোজেক্ট হিসেবে ঢাকার মতিঝিল, দিলকুশা, ফকিরাপুল, গুলিস্থান, পল্টন ও সচিবালয় এলাকার মোট ১৮টি রেস্টুরেন্টকে ‘এ প্লাস’ এবং ৩৯টি ‘এ’ গ্রেডের স্টিকার দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাইদ খোকন। প্রাথমিক পর্যায় এ প্লাস পাওয়া রেস্তোরাঁগুলোকে নিয়মিত নজরদারির প্রয়োজনীয়তা

উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভালো গ্রেড প্রাপ্তদের মধ্যে পাঁচ থেকে দশ শতাংশ রেস্তোরাঁর মান যে কমবে না এটা কেউ গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারবে না। তাই আমি নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত মনিটরিংয়ের অনুরোধ জানাচ্ছি।