মোট আক্রান্ত

৩৮,২৯২

সুস্থ

৭,৯২৫

মৃত্যু

৫৪৪

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ১৪,৯৭৪
  • নারায়ণগঞ্জ ১,৯১৬
  • চট্টগ্রাম ১,৯১০
  • মুন্সিগঞ্জ ৬৫৫
  • কুমিল্লা ৬৩৭
  • গাজীপুর ৬০৯
  • কক্সবাজার ৪৩৫
  • নোয়াখালী ৪১৭
  • ময়মনসিংহ ৪০০
  • রংপুর ৩৮৬
  • কিশোরগঞ্জ ২৩১
  • সিলেট ২১৩
  • জামালপুর ২০৬
  • নেত্রকোণা ২০৬
  • নরসিংদী ১৭৫
  • গোপালগঞ্জ ১৬৫
  • হবিগঞ্জ ১৬১
  • ফরিদপুর ১৪৭
  • যশোর ১৪২
  • বগুড়া ১৩৭
  • জয়পুরহাট ১৩৫
  • মানিকগঞ্জ ১৩০
  • দিনাজপুর ১১৫
  • মাদারীপুর ১০৭
  • চাঁদপুর ১০৭
  • লক্ষ্মীপুর ১০৪
  • নওগাঁ ১০২
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১০১
  • সুনামগঞ্জ ৯৭
  • ফেনী ৯৬
  • মৌলভীবাজার ৯৪
  • নীলফামারী ৯০
  • শরীয়তপুর ৮৯
  • চুয়াডাঙ্গা ৮৮
  • শেরপুর ৮১
  • বরিশাল ৬৮
  • রাজবাড়ী ৬৬
  • কুড়িগ্রাম ৬৪
  • খুলনা ৬৪
  • রাঙ্গামাটি ৬৩
  • ঠাকুরগাঁও ৬১
  • রাজশাহী ৫৪
  • টাঙ্গাইল ৫১
  • নাটোর ৫১
  • ঝিনাইদহ ৪৮
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৪৬
  • বরগুনা ৪৪
  • পঞ্চগড় ৪০
  • কুষ্টিয়া ৩৯
  • সাতক্ষীরা ৩৮
  • পাবনা ৩৭
  • পটুয়াখালী ৩৬
  • গাইবান্ধা ৩৫
  • লালমনিরহাট ৩১
  • ঝালকাঠি ২৭
  • খাগড়াছড়ি ২৬
  • নড়াইল ২৫
  • মাগুরা ২৪
  • পিরোজপুর ২২
  • বান্দরবান ২২
  • বাগেরহাট ১৭
  • সিরাজগঞ্জ ১৬
  • ভোলা ১৪
  • মেহেরপুর
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

সরকারি হিসাবে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ৯৩ জনের

সরকারি হিসাবে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ তত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) ডেথ রিভিউ কমিটির সর্বশেষ মোট ২৪২ জন সন্দেহভাজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃতের মধ্যে ১৩৬টি মৃত্যুর কারণ রিভিউ করে। তার মধ্যে ৮১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে বলে জানায় ডেথ রিভিউ কমিটি।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার বিষয়টি জানান।

এছাড়া চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৩৮, ফেব্রুয়ারিতে ১৮, মার্চে ১৭, এপ্রিলে ৫৮, মে মাসে ১৯৩, জুনে ১ হাজার ৮৮৪, জুলাইয়ে ১৬ হাজার ২৫৩, আগস্টে ৫২ হাজার ৬৩৬ জন এবং সেপ্টেম্বর মাসের ৩০ দিনে ১৬ হাজার ৮৫৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা ২০১৯ সালেই সর্বোচ্চ। এর মধ্যে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টি বেড়ে যাওয়ার কারণে ডেঙ্গুর হার বেড়েছে। কেননা বৃষ্টির পানিতেই মশার লার্ভা প্রজননে সক্ষম হতে পারে। এক্ষেত্রে মশার লার্ভা নিধন কার্যক্রমে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। অন্যথায় বৃষ্টি বাড়লে মশা বাড়ার কথা না।

হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ৮৭ হাজার ৯৫৩ জন। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৮৬ হাজার ২৪১ জন। আক্রান্তদের ৯৮ ভাগ রোগীই ছাড়পত্র পেয়েছেন।

Leave a Reply